আড়াইহাজারে সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে ধুম্রজাল

আড়াইহাজারে সাড়ে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ করেছে বলে এক এস,এস,সি পরীক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। থানা পুলিশ বলছে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোন আলামত না পাওয়ায় তা সঠিক পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসাতালে শিশুটিকে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের হাতে আটক ইমন পুলিশ প্রহরায় মঙ্গলবার এস,এস,সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করছে।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ব্রা‏হ্মন্দী ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়াপাড়া এলাকায়।শিশুটির পরিবার সুত্রে জানাগেছে, শিশুটির পিতার বাড়ি উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের গীর্দা এলাকায় কিন্তু শিশুটি বেশ কিছুদিন ধরে তার নানার বাড়ি দক্ষিণ বালিয়াপাড়া বসবাস করছে।৮ফেব্র“য়ারী সোমবার দুপুর পোনে একটার দিকে বাড়ির পাশে তার শিশু মেয়েটি খেলা করার সময় একই এলাকার মফিজউদ্দিনের ছেলে ইমন(১৫) শিশুটিকে ফুসলিয়ে এলাকার বায়তুল মামুর জামে মসজিদের টয়লেটে নিয়ে ধর্ষণ করে হত্যার চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনাটি স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে টয়লেট থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ইমনকে আটক করে গণপিটুনী দিয়ে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।পুলিশ রাতেই শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার সকালে ধর্ষণের সত্যতা যাচাইয়ের ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।এদিকে আটককৃত ইমন এস,এস,সি পরীক্ষার্থী হওয়ায় পুলিশ প্রহরায় তাকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় এ ব্যাপারে মামলা হয়নি তবে সাধারণ ডাইরী করে শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে থানার সেকেন্ড অফিসার উপপরিদর্শক আজাদ হোসেন জানান।আড়াইহাজার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যতদূর জেনেছি দু জনে বড়ই(কুল) খেতে এক সাথে ছিল। ইমাম সাহেব দেখে তাদেরকে আটক করে। আমরা এ ব্যবপারটা আরো তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব। আর মেডিকেল পরীক্ষার পরে’ই ধর্ষণের তথ্য পাওয়া যাবে।