ভবিষ্যত সৃষ্টব্য কৃত্রিম সংকটকে মোকাবেলার জন্য এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে – এ্যাডঃ তৈমুর আলম খন্দকার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:কলামিষ্ট ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার বলেন যে, ভবিষ্যতে সৃষ্টব্য সংকটকে মোকাবেলার জন্য এখনই সর্বস্তরের জনগণকে প্রস্তুতি নিতে হবে। কারণ প্রতিটি প্রাকৃতিক দূর্যোগের পরেই কৃত্রিম দূযোগ দেখা যায়। ফলে খাদ্যভাবে ছিন্নমূল মানুষকে রেলষ্টেশনে বুমি খাওয়া, কাপড়ের অভাবে মৃতদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া, জাল পেচিয়ে যুবতী বাসন্তীর লজ্জা নিবারণ প্রভৃতি সংবাদ, যেমনটি শুনা গিয়েছিল ১৯৭৪ ইং সনের দূর্ভিক্ষের সময়। যে কোন দূর্যোগে ত্রান চোর, কালোবাজারী, মুনাফাখোর একশ্রেণীর লোক আঙ্গুল ফুলে হয়ে যায় কলাগাছ, অন্যদিকে লক্ষ কোটি জনতা ক্ষুদার তাড়নায় নি:শেষ হতে থাকে। কাগজী নোট ছাপিয়ে অনেক রাষ্ট্রে কৃত্রিম সংকট মোকাবেলা করার ইতিহাস রয়েছে যা রিজাল্ট হয়েছে আতœঘাতি। পরবর্তী সংকট সরকার কতটুকু মোকাবেলা করতে পারবে তা এখনি আস্থায় আনা যাচ্ছে না, যেমনটি পারে নাই স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন করতে। তবে খাদ্য সংকটের প্রশ্নে জনগণকে এখন থেকেই উদ্যমী হতে হবে। বাংলাদেশের মাটী এখনকি একটি মাটী যা স্বর্ণের চেয়ে মূল্যবান। এ মাটীকে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি বাড়ীকে গড়ে তুলতে হবে সাধ্যমত একটি খাদ্য ভান্ডার হিসাবে। ফলে বাড়ীর আঙ্গিনা বা আশে পাশে বা যেখানে কোন জায়গা নাই সেখানে ঘরের চালের নীচে লাউ, কুমড়া প্রভৃতি চালে বাওয়া জাতীয় সবজি গাছ লাগিয়ে তা চালের উপরে উঠিয়ে দিলেও সেখান থেকে কিছু খাদ্য উৎপাদন হতে পারে। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন মহামারীর বিগত ইতিহাস পর্যালোচনা করে একটি কৃত্রিম দূর্যোগের পূবাভাস উড়িয়ে দেয়া যায় না, ফলে এখন থেকেই অপচয় রোধ করে সঞ্চয় এবং যার যার অবস্থান থেকে প্রতিটি নাগরিককেই নিজ নিজ অবস্থান মতো সবজি, ফল, ফলাদি উৎপাদনে অংশ গ্রহণ করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে বাড়ীর ছাদও ব্যবহার করা যায়। কাজটি যতছোটই হউক না কেন এখন থেকেই একজন অপরের মানসিক সহযোগীতায় আসতে হবে। ধান গোলায় উঠে যাচ্ছে, যা একটি শুভ লক্ষন, আবার কোথাও কোথাও ধানের পরিবর্তে চিটা দেখা যাচ্ছে যা অশ্বনি সংকেত। নতুন করে জমিতে ফসল বোনার জন্য সরকারের দায়িত্ব হবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষকের নিকট উৎকৃষ্ট মানের বীজ পৌছে দেয়া। যারা ত্রান বা খাদ্য সহয়তা দিচ্ছেন তাদের পক্ষে যদি সম্ভব হয় চাহিদা মতে সবজি বীজ (খাদ্য সহায়তা গ্রহণকারীদের নিকট) পৌছে দিবেন এবং উৎপাদন কাজে উৎসাহিত করে সাধ্যমত প্রতিটি বাড়ীকে একটি খাদ্য ভান্ডার হিসাবে গড়ে তোলার আবেগ সৃষ্টি করুন। আসুন আমরা সকলেই আমাদের অবসর সময়কে দেশ ও জাতির জন্য উৎসর্গ করি।